ভারতের বিখ্যাত ব্যক্তি

- সাধারণ জ্ঞান - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী | NCTB BOOK
4.7k

ভারতের বিখ্যাত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মহাত্মা গান্ধী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জওহরলাল নেহেরু, ইন্দিরা গান্ধী, এপিজে আব্দুল কালাম, সচিন টেন্ডুলকার, অমিতাভ বচ্চন এবং নরেন্দ্র মোদি, যারা রাজনীতি, শিল্প, সাহিত্য, খেলাধুলা ও বিজ্ঞানে ভারতের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

Content added By

সুভাষচন্দ্র বসু

1.5k

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অমর জাতীয় নেতা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ২৩ জানুয়ারি ১৮৯৭ সালে ওড়িশার কটক শহরে এক বাঙালি কায়স্থ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবন শুরু করেন কটকের ব্যাপটিস্ট মিশন স্কুলে এবং পরে কটকের রাভেনশো কলেজিয়েট স্কুল ও কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যয়ন করেন। তিনি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএ ডিগ্রি লাভ করেন এবং মানসিক ও নৈতিক বিজ্ঞানে পারদর্শী হন। তার পিতামাতার সমর্থন না থাকলেও তিনি ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামে যুক্ত হন।

নেতাজি পরপর দু’বার ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। তবে মহাত্মা গান্ধীর অহিংসা ও সত্যাগ্রহ নীতির প্রতি তার অভিন্ন বিশ্বাস না থাকার কারণে তিনি কংগ্রেস ত্যাগ করেন এবং অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামের পথ গ্রহণ করা অপরিহার্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ব্রিটিশ বিরোধী কূটনীতি ও জাপানের সহায়তায় আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করেন এবং তার নেতৃত্বে ফৌজ ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই চালায়।

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বিখ্যাত উক্তি, “তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো,” তার সংগ্রামী মনোভাবের প্রতিফলন। ১৮ আগস্ট ১৯৪৫ সালে তিনি জাপানের তাইওয়ানে একটি বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। তার কর্ম ও ত্যাগ ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে চিরস্মরণীয়। সুভাষচন্দ্র বসু নেতাজি নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন এবং ভারতের স্বাধীনতার জন্য তার অবদান আজও সম্মানিত।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

চিত্তরঞ্জন দাস
এ কে ফজলুল হক
মনি সিংহ
সুভাসচন্দ্র বসু

ইন্দিরা গান্ধী

1.4k
  • ভারতের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
  • বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
  • অমৃতস্বর স্বর্ণমন্দিরে তিনি অপারেশন ব্লু-স্টার পরিচালনা করেন।
  • অমৃতস্বর স্বর্ণমন্দির শিখদের প্রধান ধর্মীয় স্থান।
  • ১৯৮৪ সালে নিজ দেহরক্ষী সাতওয়ান্ত সিং এবং বিআন্ট সিং এর গুলিতে নিহত হন।
Content added By

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

2.2k

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১)

বিবিসির জরিপে (২০০৪) সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায় ২য় স্থান প্রাপ্ত নোবেল জয়ী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, সব্যসাচী লেখক, কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, সঙ্গীত রচয়িতা, সুরস্রষ্টা, গায়ক, চিত্রশিল্পী, অভিনেতা, সমাজসেবী, শিক্ষাবিদ, গ্রামীণ ক্ষুদ্রঋণ ও গ্রাম উন্নয়ন প্রকল্পের পথিকৃৎ। ১৯৩০ সালে জার্মানিতে আইনস্টাইনের সাথে সাক্ষাৎ হয়। সাক্ষাতে তিনি দর্শন, মানুষ ও বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ), শিলাইদহ (কুষ্টিয়া), পতিশ্বর (নওগাঁ) ইত্যাদি তাঁর স্মৃতিবিজড়িত স্থান।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্ম

সাহিত্যিক উপাদানসাহিত্যিক তথ্য
জন্মরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ৭ মে, ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে (বাংলা- ২৫ বৈশাখ, ১২৬৮) কলকাতার জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মশতবার্ষিকী পালিত হয় ১৯৬১ সালে।
পারিবারিক পরিচিতিরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতামহ- প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর, পিতামহি- দিগম্বরী দেবী, পিতা- দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মাতা- সারদা দেবী। তিনি পিতা-মাতার ১৫জন সন্তানের মধ্যে ১৪তম সন্তান এবং ৮ম পুত্র।
বিবাহতিনি ৯ ডিসেম্বর, ১৮৮৩ সালে ঠাকুরবাড়ীর অধস্তন কর্মচারী বেণীমাধব রায় চৌধুরীর কন্যা ভবতারিণী দেবীকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর রবীন্দ্রনাথ নাম রাখেন মৃণালিনী দেবী । স্ত্রী ভবতারিণী দেবী খুলনার দক্ষিণডিহি গ্রামের মেয়ে ।
সম্পাদনাতিনি ‘সাধনা’ (১৮৯৪), ‘ভারতী' (১৮৯৮), ‘বঙ্গদর্শন’ (১৯০১), ‘তত্ত্ববোধিনী' (১৯১১) পত্রিকা সম্পাদনা করেন ।
সাহিত্যিক ভাবধরাসাহিত্যিক জীবনের শুরুতে তিনি বিহারীলাল চক্রবর্তীর অনুসারী ছিলেন। পরবর্তীতে তাঁর সাহিত্যে মধ্যযুগীয় বৈষ্ণব পদাবলি, উপনিষদ, দোঁহাবলি, লালনের বাউল গান ও রামপ্রসাদ সেনের শাক্ত পদাবলির প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
রাখিবন্ধনহিন্দু-মুসলমান মিলনের লক্ষ্যে রবীন্দ্রনাথ ‘রাখিবন্ধন’ উৎসবের সূচনা করেন।
শ্রেষ্ঠ কাব্যতাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্য সংকলনের নাম ‘সঞ্চয়িতা'
‘নাইটহুড’ব্রিটিশ সরকার ৩ জুন, ১৯১৫ সালে রবীন্দ্রনাথকে ‘নাইটহুড’ বা ‘স্যার' উপাধি প্রদান করেন। পরবর্তীতে ১৩ এপ্রিল, ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তা বর্জন করেন।
বংশ পরিচয়পিরালি ব্রাহ্মণ [বিধর্মীদের সংস্পর্শে এসে জাত হারানো ব্রাহ্মণরা হলেন পিরালি ব্রাহ্মণ]। (পারিবারিক উপাধি কুশারি)। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষ জগন্নাথ কুশারি পিরালি ব্রাহ্মণ মেয়ে বিয়ে করলে হিন্দু ধর্ম থেকে বিচ্যুত হয় এবং সমাজচ্যুত করা হয়। তার ছেলে পঞ্চানন কুশারি ১৮ শতকের শুরুতে খুলনার দক্ষিণডিহি থেকে কলকাতার গোবিন্দপুরে এসে জেলে পাড়ার পুরোহিতের কাজ করা শুরু করেন। ফলে অনেকে ঠাকুর বলে ডাকেন । এছাড়াও ইংরেজদের বাণিজ্য তরীতে দ্রব্য উঠা-নামার কাজ করলে ইংরেজরাও তাকে ঠাকুর বলে ডাকতেন। তারই উত্তর প্রজন্ম দ্বারকানাথ ঠাকুর ইংরেজদের কাছ থেকে অর্থের পাশাপাশি 'প্রিন্স' উপাধি লাভ করেন। ক্রমান্বয়ে শত বছরের ব্যবধানে জেলে সম্প্রদায়ের পুরোহিত থেকে কলকাতার প্রভাবশালী পরিবারে পরিণত হয়।
ছদ্মনামরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মোট ৯টি ছদ্মনাম পাওয়া যায়। যথা: ভানুসিংহ ঠাকুর, অকপট চন্দ্র ভাস্কর, আন্নাকালী পাকড়াশী, ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মা, বানীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ, শ্রীমতি কনিষ্ঠা শ্রীমতি মধ্যমা, দিকশূন্য ভট্টাচার্য, নবীন কিশোর শর্মন।
উপাধিরবীন্দ্রনাথকে যারা যেসব উপাধিতে ভূষিত করেন: গুরুদেব- মহাত্মা গান্ধী, কবিগুরু - ক্ষিতিমোহন সেন, বিশ্বকবি- ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়
পদক প্রাপ্তিরবীন্দ্রনাথ যেখান থেকে যেসব পদক পান: ডি. লিট- ১৯১৩ ( কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়), ডি. লিট ১৯৩৫ ( কাশী বিশ্ববিদ্যালয়), ডি. লিট- ১৯৩৬ ( ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), ডি. লিট- ১৯৪০ (অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়)।
ব্রহ্মচর্যাশ্রমব্রহ্মচর্যাশ্রম ১৯০১ সালে শান্তিনিকেতন (বোলপুরে) প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে এটি ১৯২১ সালে ‘বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়' এ রূপান্তরিত হয়।


তিনি ৭ আগস্ট, ১৯৪১ সালে (বাংলা- ২২ শ্রাবণ, ১৩৪৮) দুপুর ১২টা ১০মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

রামমোহন রায়

1.5k

রাজা রামমোহন রায় (১৭৭২-১৮৩৩)

  • রাজা রামমোহন রায় ২২ মে, ১৭৭২ সালে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
  • তাঁর ছদ্মনাম শিবপ্রসাদ রায়। পিতা- রাধাকান্ত রায়, মাতা- তারিণী দেবী।
  • তিনি পাঠ্য পুস্তকের বাইরে সর্বপ্রথম বাংলা গদ্যরীতির ব্যবহার করেন ।বাংলা প্রবন্ধ রচনার প্রথম কৃতিত্ব রাজা রামমোহন রায়ের।
  • তিনি ‘ব্রাহ্মণ সেবধি’ (১৮২১), ‘সম্বাদ কৌমুদী' (১৮২১), ‘মিরাৎ-উল-আখবার’ (১৮২২) পত্রিকা সম্পাদনা করেন ৷
  • তার একেশ্বরবাদের ওপর আরবি ও ফারসি ভাষায় লিখিত ‘তুহফাৎউল মুয়াহহিদ্দীন' ১৮০৩ সালে প্রকাশিত হয় ।
  • তিনি ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৮৩৩ সালে মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে ইংল্যান্ডের ব্রিস্টলে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর দশ বৎসর পর দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর 'আনসার ডেল' নামক স্থানে তার সমাধিস্থ করে একটি মন্দির প্রতিষ্ঠা করে দেন। ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে মধ্য ব্রিস্টলে তার একটি মূর্তি স্থাপন করা হয়।

রাজা রামমোহন রায় কী কী প্রতিষ্ঠা করেন ?

  • একেশ্বর উপাসনার লক্ষ্যে ‘আত্মীয়সভা'- ১৮১৫ ।
  • দেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে ‘হিন্দু কলেজ’- ১৮১৭।
  • প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের সহায়তায় ‘ব্রাহ্ম-সমাজ’- ১৮১৮ ।
  • ‘ইউনিটারিয়ান কমিটি' নামক ধর্মসভা- ১৮২১।
  • ‘অ্যাংলো হিন্দু স্কুল’-১৮২৩।

রামমোহন রচিত ব্যাকরণ কোনটি ?

রামমোহন রচিত ব্যাকরণ ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ' (১৮৩৩): এটি ১৮২৬ সালে প্রথম ইংরেজিতে প্রকাশিত হয় ।

রামমোহন রচিত সাহিত্যকর্মসমূহ

  • ‘বেদান্ত গ্রন্থ’ (১৮১৫): এটি তাঁর প্রথম গ্রন্থ। পৌত্তলিকতা যে হিন্দু ধর্মের মুখ্য বিষয় নয়, ব্রহ্মই একমাত্র তত্ত্ব ও উপাস্য তা প্রমাণের জন্য তিনি এ গ্রন্থটি রচনা করেন।
  • ‘গোস্বামীর সহিত বিচার' (১৮১৮): সতীদাহ প্রথার অসারতা প্রসঙ্গে।
  • ‘প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ' (১৮১৮): সতীদাহ প্রথার অসারতা প্রসঙ্গে ।
  • ‘বেদান্তসার’ (১৮১৫), ‘ভট্টাচার্যের সহিত বিচার' (১৮১৭)।

রামমোহন কোন বিষয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন ?

১৯২৩ সালে সংবাদপত্র বিধি (Press Ordinance) পাশ হলে তিনি এর বিরূদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন। এর বিরূদ্ধে একটি প্রতিবাদ লিপি তিনি সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করেন এবং এর কপি ইংল্যান্ডের প্রিভি কাউন্সিলে প্রেরণ করেন।

বেদান্ত গ্রন্থরাজা রামমোহন রায়
বেদান্তসাররাজা রামমোহন রায়
বেদান্ত চন্দ্রিকামৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার

সতীদাহ প্রথা কী ? এ প্রথা বন্ধে কে ভূমিকা রাখেন ?

সতীদাহ অর্থ সহমরণ। স্বামীর সাথে একই চিতায় স্ত্রীকে দাহ করার রীতিই সতীদাহ প্রথা। সনাতন ধর্মে এ প্রথা বহুল প্রচলিত ছিল, যা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানায়। এ অমানবিক প্রথা বন্ধে প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেন রাজা রামমোহন রায়। তিনি এর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন এবং লেখনী ধারন করেন। সতীদাহ প্রথার অসারতা প্রসঙ্গে তিনি ‘গোস্বামীর সহিত বিচার' (১৮১৮), ‘প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ' (১৮১৮) সহ বিভিন্ন পুস্তক রচনা করে সামাজিক আন্দোলন শুরু করেন। ৪ ডিসেম্বর, ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে রাজা রামমোহন রায়ের প্রচেষ্টায় বৃটিশ সরকার সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন। মোগল বাদশা দ্বিতীয় আকবর তাঁর দাবি-দাওয়া ব্রিটিশ সরকারের নিকট তুলে ধরার জন্য ১৮৩০ সালে রাজা রামমোহন রায়কে ব্রিটেনে পাঠান এবং এ উপলক্ষে সম্রাট তাকে ‘রাজা’ উপাধি প্রদান করেন

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সম্বাদ কৌমুদী
সমাচার দর্পন
বেঙ্গল গেজেট
সংবাদ প্রভাকর

চিত্তরঞ্জন দাশ

1.6k

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ (৫ নভেম্বর ১৮৭০ - ১৬ জুন ১৯২৫) ছিলেন একজন বাঙালি আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, স্বাধীনতা সংগ্রামী, কবি ও লেখক। তিনি স্বরাজ্য পার্টি-র প্রতিষ্ঠাতা। তার সময়ের অন্যতম বৃহৎ অঙ্কের আয় অর্জনকারী আইনজীবী হওয়া সত্ত্বেও তিনি তার সম্পদ অকাতরে সাহায্যপ্রার্থীদের কাছে বিলিয়ে দিয়ে বাংলার ইতিহাসে দানবীর হিসাবে সুপরিচিত হয়ে আছেন। তিনি "দেশবন্ধু" নামে জগৎ বিখ্যাত হয়ে আছেন।

১৯২৫ সালের ১৬ই জুন চিত্তরঞ্জন দাশ মৃত্যুবরণ করেন। উদার মতবাদ ও দেশের প্রতি দরদের কারণে তিনি হিন্দু মুসলমান সকলের শ্রদ্ধা ও ভালবাসা অর্জন করেন এবং তার এই উদার মতবাদের জন্য জনগণ তাকে দেশবন্ধু খেতাবে ভূষিত করেন।

Content added By

মহাত্মা গান্ধী

1.4k
  • ভারতের জাতির জনক ও অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা।
  • তাঁর জন্ম তারিখ ২ অক্টোবর 'আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস'।
  • প্রকৃত নাম- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী
  • 'মহাত্মা' উপাধি দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গান্ধী আশ্রম অবস্থিত নোয়াখালী জেলায়।
  • তিনি কখনোই রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হননি।
  • মহাত্মা গান্ধী সম্পাদিত পত্রিকার নাম- 'ইন্ডিয়ান অপিনিয়না।
  • "মাহাত্মা গান্ধী' ১৯১৭ সালে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন- দক্ষিন আফ্রিকায়।
  • কংগ্রেস এর সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯২১ সালে।
  • সত্যাগ্রহ আন্দোলন করেন ১৯০৬ সালে।
  • ১৯৪৮ সালে 'নথুরাম গডসে' নামক এক সন্ত্রাসী হিন্দু আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

মালাধর বসু

1.4k

মালাধর বসু বা গুণরাজ খাঁ হলেন একজন মধ্যযুগীয় বাঙালি কবি। তিনি ছিলেন পঞ্চদশ শতাব্দীর একজন কবি। তিনি প্রথম বাংলা ভাষায় ভাগবত পুরাণ বা ভাগবত অনুবাদ করেন। তার অনূদিত কাব্যটির নাম শ্রীকৃষ্ণবিজয়, যা তিনি ১৪৭৩ সাল থেকে ১৪৮০ সালের মধ্যে রচনা করেন। মালাধর বসুই ভাগবতের প্রথম অনুবাদক। তার আগে বাংলা ব্যতীত অন্য কোনো ভাষায় ভাগবত অনূদিত হয়নি।

ভাগবত ১২ খণ্ডে রচিত এবং এর শ্লোকসংখ্যা ৬২০০০। হিন্দুধর্মের এই পবিত্র ধর্মগ্রন্থটি বাংলায় অনুবাদ করেন মালাধর বসু। এজন্য তিনি বাদশাহ রুকনউদ্দিন বরবক শাহের কাছ থেকে ‘গুণরাজ খান' উপাধি লাভ করেন। তাঁর ভাগবতের নাম ‘শ্রীকৃষ্ণবিজয়’।

সংস্কৃত ভাষায় রচিত ভাগবত বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের নিকট পরম পবিত্র গ্রন্থ। এটি পুরাণ নামক সংস্কৃত সাহিত্যের অন্তর্গত। পুরাণের পাঁচটি লক্ষণ - সর্গ, প্রতিসর্গ, বংশ, মন্বন্তর ও বংশানুচরিত অর্থাৎ সৃষ্টিতত্ত্ব, প্রলয়ের পরবর্তী সৃষ্টিকাহিনী, দেবগণের জন্মবৃত্তান্ত, মনুর অধিকারকাল হিসাবে যুগবিভাগ, রাজাদের বংশকাহিনী ও কার্যকলাপ - কমবেশি ভাগবতে স্থান পেয়েছে। কৃষ্ণের জন্ম, বাল্য, কৈশোর ও যৌবনের ঐশ্বরিক কার্যকলাপ এবং দেহত্যাগের কথা এই গ্রন্থে বর্ণিত । ভগবান বিষ্ণু কৃষ্ণরূপে জন্মগ্রহণ করে যে অদ্ভুত কাজগুলো অনায়াসে সম্পন্ন করেছেন সেগুলো কাব্যরূপে ও পাণ্ডিত্যে সমৃদ্ধ হয়ে ভাগবতে পরিবেশিত হয়েছে।

বেদের মন্ত্রসমূহ বিন্যাস করে যিনি বেদব্যাস আখ্যা পেয়েছেন তিনি অতি প্রাচীন ঋষি এবং হিন্দুসমাজের সর্বাপেক্ষা মাননীয় পণ্ডিত। তাই মহাভারত এবং পুরাণসমূহ ও ভাগবতের রচয়িতারূপে ব্যাসকে নির্দিষ্ট করে গ্রন্থগুলোর পবিত্রতা ও গুরুত্ব বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে এত বিপুল বৃহৎ কলেবরে বিভিন্ন গ্রন্থ রচনা একজনের পক্ষে রচনা অসম্ভব বলেই যুক্তিসংগত। এজন্য সংস্কৃত ভাগবতের বা ধর্মীয় গ্রন্থ প্রণেতাদের যথার্থ নাম ও কাল চিরদিনের জন্য অজ্ঞাত থেকে গিয়েছে।

মালাধর বসুর পিতার নাম ভগীরথ এবং মাতার নাম ইন্দুমতী। তাঁর জন্ম কায়স্থ বংশে এবং বসতি ছিল বর্ধমান জেলার জামালপুর থানার মেমারী রেলস্টেশনের অনতিদূরে কুলীন গ্রামে। তাঁর একজন পুত্রের উপাধি ছিল ‘সত্যরাজ খান'।

Content added By

এ পি জে আব্দুল কালাম

3.1k
  • এপিজে আব্দুল কালাম আজাদ- ভারতের পারমাণবিক বোমার জনক।
  • তিনি ভারতের একাদশ রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
  • তার উপাধি- Missile Man
  • ভারত পারমাণবিক বোমার প্রথম বিস্ফোরণ ঘটায়- ১৯৭৪ সালে রাজস্থানের পোখরানে।
  • আত্মজীবনী- Wings of Fire
  • তাঁর বিখ্যাত উক্তি- “ Dreams are not what you see in your sleep, dream are things which do not let you sleep"
Content added By

জওহরলাল নেহেরু

1.5k
  • স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
  • ভারতের স্বাধীনতার সময়কালে কংগ্রেস সভাপতি।
  • জওহরলাল নেহেরু পঞ্চশীল নীতির অন্যতম প্রবক্তা।
  • তিনি বলেন, দেশ ভালো হয়, যদি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভালো হয়।

বিখ্যাত রচনা-

  • The Discovery of India
  • An Autobiography (আত্মজীবনী)
  • Glimpses of World History

Content added By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...